সমকাল অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২ নভেম্বর আদালতের আদেশের পরেও রিফাত বিন ওসমান ত্বকী হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেননি।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলাম ১০৭তম ধার্য তারিখে রিফাতকে তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে তার কার্যালয়ে দেখা করার আদেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী প্রদীপ ঘোষ বাবু ও আবু ইশতিয়াক সিদ্দিকী এই আদেশ নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় মোট দশজনকে এসআরবি গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে আজমেরী ওসমানের ড্রাইভার জমশেদ কারাগার থেকে হাজিরা প্রদান করেছেন।

জামিনে থাকা রিফাত বিন ওসমানসহ তায়েফ উদ্দীন জ্যাকি, ইউসুফ হোসেন লিটন, কাজল হাওলাদার, সাফায়েত হোসেন শিপন, ইয়ার মোহাম্মদ পারভেজ আদালতে সশরীরে হাজিরা দিয়েছেন।

মামলার পরবর্তী তারিখ ১৪ ডিসেম্বর নির্ধারিত হয়েছে।

২০১৩ সালের ৬ মার্চ তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী শায়েস্তা খাঁ সড়কের বাসা থেকে নিখোঁজ হন, দুই দিন পর তার মরদেহ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে উদ্ধার হয়।

এই ঘটনায় এসআরবি-১১ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে, যার মধ্যে সুলতান শওকত ভ্রমর ও ইউসুফ হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০১৪ সালের ৫ মার্চ এসআরবি জানিয়েছে যে ওসমান পরিবারের নির্দেশে আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে এবং শিগগিরই অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে। তবে অভিযোগপত্র এখনও জমা হয়নি।

নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট প্রতি মাসের ৮ তারিখে মোমশিখা প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করে আসছে, গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে।