শের-এ-বাংলা এ.কে. ফজলুল হুয়াক, জন্ম ২৬ অক্টোবর ১৮৭৩, স্যাটারিয়া গ্রামে (বাকেরগঞ্জ জেলা), তার মাতা-মায়ের দাদা-দাদির বাসভবনে।
তিনি গণিত ও আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন, কলকাতায় আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন এবং সাময়িকভাবে সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত ছিলেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ উভয়ের সাথে জড়িত ছিলেন এবং কৃষি ও গ্রামীণ সমস্যায় মনোযোগ দিয়ে কৃষক-প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে জয়লাভের পর তিনি বাঙালির প্রিমিয়ার হন, যেখানে কৃষি ঋণ, জমি অধিকার ও শিক্ষার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেন।
ফ্লুড কমিশনের অধীনে জমি ব্যবস্থার ত্রুটি চিহ্নিত করেন এবং কৃষকদের অধিকারকে রাজনৈতিক মঞ্চে আনেন।
শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি গ্রামীণ ও নারী শিক্ষার প্রসার ঘটান, লেডি ব্রাবোর্ন কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে অবদান রাখেন।
২৩ মার্চ ১৯৪০ সালে লাহোরে তিনি লাহোর রেজোলিউশন উপস্থাপন করেন, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক দাবিকে তুলে ধরে।
বিভাগীয় বিভাজনের পর তিনি ১৯৫৪ সালের ইউনাইটেড ফ্রন্ট নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং সাময়িকভাবে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
পরে তিনি পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারে সেবা করেন এবং ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৮ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২৭ এপ্রিল ১৯৬২ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন, এবং তার সমাধি ঢাকা শহরে অবস্থিত।
ঢাকা টাইমস অনুযায়ী, শের-এ-বাংলা এ.কে. ফজলুল হুয়াকের জীবন ও কাজ বাঙালি সমাজে শিক্ষা ও কৃষি সংস্কারের ভিত্তি স্থাপন করেছে।







