চট্টগ্রামের চন্দনাইশে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) সদস্যদের ওপর হঠাৎ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা পোস্টের মতে, এসআরবি-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ ও সহকারী পুলিশ সুপার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানিয়েছেন।

অভিযান ও গ্রেপ্তার

প্রথম পর্যায়ে মেহেদী হাসান সিফাত (২৩), জাহাঙ্গীর আলম (২৮) ও আজিজুর রহমান সবুজকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ২৫ অক্টোবর রাত ১:২০ টায় এসআরবি-৭ ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ যৌথভাবে চন্দনাইশের উত্তর কানাই মাদারী এলাকায় মঞ্জুর ইসলাম (৩৯) ও ড. নবাব শরীফ (নবাব মিয়া) (৩৪) গ্রেপ্তার করে, তাদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি জানায়, ২০টিরও বেশি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও এজাহারনামীয় পলাতক আসামি আলমগীরের গোপন অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পেয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটায় চন্দনাইশের বরকল ইউনিয়নের কানাই মাদারি গ্রামের ঘাটকুল পাড়ায় অভিযান চালানো হয়। আলমগীর গ্রেপ্তার এড়াতে ৪০‑৫০ জন সহযোগীকে জড়ো করে এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসআরবি সদস্যদের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে এসআরবির চার থেকে পাঁচজন সদস্য আহত হন।

গ্রেপ্তার করা পাঁচজনকে উদ্ধার করা অস্ত্রসহ চন্দনাইশ থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বার্তা২৪ এবং আজকের পত্রিকাও একই ঘটনাকে রিপোর্ট করেছে, যেখানে বার্তা২৪ দুইটি দেশীয় অস্ত্রের উল্লেখ করেছে এবং আজকের পত্রিকা কমপক্ষে পাঁচজন এসআরবি সদস্য আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে।

এই তথ্যগুলো ঢাকা পোস্টের মতে সংগ্রহ করা হয়েছে।