যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হতে পারে। তিনি এই মন্তব্য টেক্সাসের কর্পাস ক্রিস্টিতে আয়োজিত এক মধ্যবর্তী নির্বাচনি জনসভায় করেন।

চ্যানেল ২৪ ও ঢাকা টাইমস অনুযায়ী, ট্রাম্প বলেন, দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি তেলকে ঘিরে গড়ে ওঠা সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি এমন ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, 'আমি ভেনেজুয়েলাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এখন অত্যন্ত চমৎকার ও সুদৃঢ় রূপ নিয়েছে।'

ট্রাম্প জানান, দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় ভেনেজুয়েলা থেকে বিনামূল্যে আসা প্রথম ১০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের চালানের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, 'এই ঐতিহাসিক সাফল্যের মাধ্যমে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক বিশাল অংশের ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে এই তেল এখানেই টেক্সাসে শোধন করা হবে—যার একটি বড় অংশ শোধিত হবে এই কর্পাস ক্রিস্টিতেই।'

তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বিনিয়োগের ফলে ভেনেজুয়েলায় বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে, যা বছরখানেক আগেও ছিল অকল্পনীয়। ট্রাম্প বলেন, 'আমরা নিজেদের জন্য বিপুল পরিমাণ তেল উত্তোলন করছি, সত্যিই অনেক। এটি একটি সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হতে যাচ্ছে। আর কে জানে? হয়তো খুব শিগগিরই এটি (ভেনেজুয়েলা) যুক্তরাষ্ট্রের একটি সমৃদ্ধ ৫১তম অঙ্গরাজ্য হয়ে উঠতে পারে। সেটা হওয়া অসম্ভব কিছু নয়।'

এরপর ট্রাম্প যোগ করেন, ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্টের পরিবর্তে একজন গভর্নরও থাকতে পারেন। তিনি বলেন, 'চলুন এটা করা যাক। ভেনেজুয়েলাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানো যাক। আর প্রেসিডেন্টের পরিবর্তে সেখানে গভর্নরের জন্য নির্বাচন হবে। বিষয়টি কেমন হয়? আপনারা তো জানেন, ওদের প্রচুর তেল আছে।'

উল্লেখ্য, এর আগে প্রতিবেশী কানাডাকেও বেশ কয়েকবার যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হতে বলেছেন ট্রাম্প। বিষয়টি নিয়ে কানাডার রাজনীতিবিদদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই এটিকে কানাডার সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখেছেন।

এই তথ্য অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে।