ঢাকার সাভারের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে শুক্রবার মোট ৮৮টি গার্মেন্টস কারখানা চালু ছিল, যা ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী।
ঢাকা ট্রিবিউনের খবর, হেমায়েতপুর, সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন অংশে শুক্রবার সকাল থেকে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক ছিল। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিভিন্ন স্থানে শিল্প পুলিশের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছিল। সকাল থেকেই ৮৮টি কারখানায় শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে শিফটে যোগ দিয়েছে, বিশৃঙ্খলার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
শিল্প পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়াইব আহমেদ ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, সাধারণত শুক্রবার কারখানাগুলো বন্ধ থাকে, তবে জরুরি শিপমেন্টের মেয়াদ থাকলে তারা চালু থাকে। শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম ভুইয়া জানান, শিল্পাঞ্চলের সর্বত্র পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সুইটার্স ওয়ার্কার্স ট্রেড ইউনিয়ন সেন্টারের আইন বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল মামুন মিন্টু ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, জরুরি চাহিদা পূরণে কিছু কারখানা সাপ্তাহিক ছুটিতেও চালু থাকে। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল এবং শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে কাজে ফিরতে বলা হয়েছে।
মিন্টু ঢাকা ট্রিবিউনকে আরও জানান, বেতন বোর্ড গঠিত হয়েছে এবং শ্রমিকদের বেতন সংক্রান্ত দাবি-দাওয়া এখন আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা উচিত। তবে শ্রমিকদের মধ্যে ভয় থাকলে তাদের কর্মস্থলে ফিরতে কঠিন হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন। তিনি শ্রমিকদের বাড়িতে পুলিশের অনুসন্ধান ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ডেইলি অবজারভারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গার্মেন্টস শ্রমিকদের অস্থিরতাতে অর্থায়নের অভিযোগে ১২০টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তদন্ত শুরু করেছে। তবে ঢাকা ট্রিবিউনের বর্তমান প্রতিবেদনে এই তদন্তের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি।







