প্রথম আলো জানিয়েছে যে, ২০২৬ সালের ইসরায়েলি নেসেট নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে, আর বিরোধী জোট ৪৮টি আসন অর্জন করেছে।
নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী সরকার গঠনের জন্য ৬১টি আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, কিন্তু কোনো জোটই তা পূরণ করতে পারেনি।
এই পরিস্থিতিতে আরব দলগুলো, যাদের সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন রয়েছে, সরকার গঠনে মূল চাবিকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথম আলো অনুযায়ী, আরব দলগুলো জোটে না থাকলেও বিরোধী জোটকে সমর্থন করে সংসদে নিয়ন্ত্রণ পেতে পারে।
প্রথম আলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে কাজ করতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। আরব দলগুলোর জোটের দ্বিতীয় নেতা আহমদ তিবি সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে জানান যে, বিরোধী জোট নতুন স্পিকার নির্বাচনের বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং আরব দলগুলো বিরোধী প্রার্থীকেই সমর্থন করবে।
প্রথম আলোতে আরও বলা হয়েছে যে, যদি সরকার গঠনে ব্যর্থ হয় তবে আগামী বছরের শুরুর দিকে নতুন নির্বাচন হতে পারে।
ইনকিলাব ও ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনে আরব দলগুলোকে “কিংমেকার” হিসেবে দেখা হচ্ছে, যদিও ইহুদি ব্লকগুলো তাদের সমর্থন প্রত্যাখ্যান করেছে। উভয় প্রতিবেদনেই উল্লেখ আছে যে, নেতানিয়াহু ও গাদির মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে এবং আরব দলগুলোকে সমর্থন না দিলে সরকার গঠন কঠিন হবে।
প্রথম আলোতে উল্লেখিত অভিযোগ অনুযায়ী, নেতানিয়াহু দুর্নীতি ও নিরাপত্তা ব্যর্থতার জন্য জবাবদিহির মুখে পড়তে পারেন, আর আরব দলগুলো নির্বাচনে কারচুপি ও ফলাফল অবৈধ করার অভিযোগ তুলেছে। এই অভিযোগগুলো এখনো যাচাই করা হয়নি।







