নেতানিয়াহু, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও লিকুদ পার্টির নেতা,নির্বাচনের পর আরব দলেয়ার ওপর ‘ভোট জালিয়াতির’ অভিযোগ করেন, তবে এই অভিযোগের কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি। (মতামত)

গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, আরব নাগরিকরা ব্যাপক অংশগ্রহণ করেন; নির্বাচন ফলাফল দেখে আসনসংখ্যায় সামান্য বন্ধ হয়েছে, নেতানিয়াহুর জাতীয়তাবাদী-ধর্মীয় জোট ৫৩ আসন, গাদি আইজেনকটের জোট ৪৮ আসন, আরব দলেয়ার ১৯ আসন পেলে রেকর্ডসংখ্যক। (মতামত)

অনalisের মতে, নেতানিয়াহুর লক্ষ্য হলো ইসরায়েলের আরব ও ইহুদি নাগরিকদের হাত মেলানোকে অগ্রহণযোগ্য করে তোলা, যাতে আরব সমর্থন ছাড়া সরকার গঠন করা যায় না। যদি গাদি আইজেনকট আরব দলেয়ার সঙ্গে জোট বাঁধে, তাহলে নেতানিয়াহু ক্ষমতাচ্যুত হতে পারে। (মতামত)

ইসরায়েলি পুলিশ মঙ্গলবার পর থেকে দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত সাতজনকে ‘ভোট জালিয়াতির’ সন্দেহে গ্রেপ্তার করেছে, যেখানে আরব জনগোষ্ঠীর বসবাস বেশি; কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির প্রধান ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গ জানান, নির্বাচনতে অজ্ঞাত বিদেশিদের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তের আহ্বান করেছে। (মতামত)

অন্য পার্টি, যেমন জয়েন্ট লিস্টের আহমাদ তিবি, আরব অধ্যুষিত গ্রামের নেতা, এই অভিযোগগুলো তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে এবং বলে দাঁড়ালেন প্রমাণ নেই; লিকুদ পার্টি ও রাটার্সও প্রচারণার লক্ষ্য আইজেনকটকে বাধা দেওয়া, ভয় ফেলে এবং আরব দলেয়ার সমর্থন নিতে চাইলে নেতানিয়াহুকে বিরত রাখতে চান। (মতামত)