প্রথম আলো জানিয়েছে, ইসরায়েলে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে নজরকাড়া ঘটনাগুলোর একটি ছিল দেশটির প্রধান দুই আরব দলের জোরালো অবস্থান। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান জানাতে আরব দলগুলোর সমর্থকেরা রেকর্ডসংখ্যক ভোট দিয়েছেন।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। তবে ইসরায়েলের সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর বুথফেরত জরিপ থেকে আভাস পাওয়া যাচ্ছে, সামাজিকভাবে রক্ষণশীল ইউনাইটেড আরব লিস্ট (রাআম) এবং বামপন্থী জয়েন্ট লিস্ট এবার বড় সাফল্য পেতে যাচ্ছে। জরিপ অনুযায়ী, দল দুটি ইসরায়েলের পার্লামেন্টে রেকর্ডসংখ্যক আসন পেতে পারে।
রাআমের নেতা মনসুর আব্বাস টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আরব ভোটারদের এই উপস্থিতি দেখিয়ে দিয়েছে, তাঁরা নিজেদের ‘হতাশা ও নিরাশা’কে ‘আশায়’ রূপান্তর করেছেন। আব্বাস বলেন, তিনি ‘সম্ভাব্য সব উপায়ে’ নেতানিয়াহুর সরকারের পরিবর্তন চান।
তবে ইসরায়েলে আরব দলগুলোকে নিয়ে সরকার গঠন এখনো জটিল বিষয়। অনেক ইসরায়েলি ইহুদি মনে করেন, পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য আরব আইনপ্রণেতাদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। ২০২১ সালে রাআম তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের স্বল্পস্থায়ী নেতানিয়াহুবিরোধী জোট সরকারের অংশ ছিল, যা প্রায় এক বছর পর পতন হয়।
প্রথম আলো-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি নেতানিয়াহুর আচরণে আরব ভোটাররা ক্ষুব্ধ। এছাড়া ইসরায়েলের ভেতরেও ফিলিস্তিনিদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে দেখা হয় বলে মনে করেন তাঁরা।





