ঢাকা পোস্ট অনুযায়ী, স্পেনে দ্রুতগতির ট্রেন দুর্ঘটনার শিকার যাত্রী ও সাংবাদিক রবার্তো গোমেজ ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, ট্রেনটি থেমে যাওয়ার সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন এবং যাত্রীদের লাইনে জট থাকার কথা জানানো হয়। ট্রেনটি পুনরায় চলতে শুরু করার পরপরই আকস্মিক সংঘর্ষ ঘটে।

গোমেজের মতে, ধাক্কাটি ভয়াবহ ছিল; বগি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং ভাঙা বগির ভেতরে স্যুটকেস ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তিনি সামান্য আহত হন, তবে একটি যাত্রী তার ওপর পড়ে মাথায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে।

তারা বুকে ও পাঁজরে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত যাত্রীদের সহায়তা করতে পেরেছেন। পরিস্থিতি অত্যন্ত বিশৃঙ্খল ও মানসিকভাবে কষ্টদায়ক ছিল, তবে কয়েক মিনিট পর যাত্রীরা ট্রেনের জানালা দিয়ে বের হতে সক্ষম হন।

এদুয়ার্দা নামের যাত্রী তার দুটি বিড়াল নিয়ে ট্রেনে ভ্রমণ করছিলেন। তিনি স্প্যানিশ রেডিও অনুষ্ঠান ‘হয় পর হয়’কে জানান, সংঘর্ষে তিনি সামনে ছিটকে পড়েন এবং আসনের সামনের টেবিলটি ভেঙে যায়। আশপাশের অনেক যাত্রী আঘাত পান।

ট্রেন থেকে বেরিয়ে আসার পর তিনি চিৎকারের শব্দ শুনতে পান এবং একটি বগিতে আগুন জ্বলতে দেখেন। তিনি আরও জানান, ট্রেনের নিচে নিহত ব্যক্তিদেরও তিনি দেখতে পান।

মিগেল আঞ্জেল পেরেজ নামের আরেক যাত্রী স্প্যানিশ টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘লা ওরা দে লা ১’-কে জানান, তিনি একটি ভয়ংকর সংঘর্ষের শব্দ শুনতে পান। বগিটি আংশিকভাবে উল্টে গিয়েছিল এবং তারা ট্রেনটিকে নড়তে, লাইনচ্যুত হতে ও একদিকে হেলে পড়তে অনুভব করেছেন। কয়েক সেকেন্ড ছিল ভয়ংকর।