বাংলা ট্রিবিউন জানাচ্ছে যে, ৬ নভেম্বর বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে ফরিদপুরের নগরকান্দায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার অবতরণ করে সেনাসদস্য তিতাস শেখের লাশ নিয়ে এসেছে।

এরপর লাশটি সরকারি মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি মাঠে নিয়ে গার্ড অব অনার অনুষ্ঠান করা হয়, পরে আতিকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাগরিবের নামাজের পর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজার পর লাশটি পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

আগের দিন, ৫ নভেম্বর, টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে তিতাস পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। তিনি রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, তিতাস ২৮ বছর বয়সী সেনাসদস্য ছিলেন, যিনি ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১ বীর ইউনিটে কাজ করতেন। তিনি কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযানে ৪:৩০ পমে গুলিতে নিহত হন।

পত্রিকা আরও জানায়, তিতাসের শেষ কথা ছিল মায়ের কাছে দোয়া চাওয়া, তিনি কফিনে ফিরেছিলেন। তিনি লস্করদিয়া গ্রামে দাফন হন, দাদির কবরের পাশে।

উভয় সূত্রে উল্লেখ আছে যে, তিতাসের পরিবারে সন্তান হারানো, স্বামী ও স্ত্রী শোকাহত।

উল্লেখ্য, বাংলা ট্রিবিউন ও আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে সময় ও কিছু বিবরণে পার্থক্য রয়েছে, যেমন অবতরণ সময় (৪:৪৫ পম বনাম ৪:৩০ পম) ও দাফন স্থানের বিবরণ।