ফরিদপুর সদর উপজেলায় দেলোয়ার হোসেন (৩৫) নামে এক যুবকের দুই চোখ উপড়ে এবং হাত-পা বেঁধে ধানক্ষেতে ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা ট্রিবিউন বাংলার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী দেলোয়ার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের মাধবপুর এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, রবিবার (১ নভেম্বর) রাতে উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বাইটকুমারী বিলের নির্জন স্থানে নিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। দুর্বৃত্তরা তার হাত-পা বেঁধে চোখ উপড়ে ফেলে এবং মৃত ভেবে বিলের পাশের ধানক্ষেতে ফেলে রেখে যায়। সোমবার সকালে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের লোকজনকে জানান। পরে স্বজনরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। তবে একাত্তর টিভি ও সমকালের প্রতিবেদনে চোখ উপড়ানোর পাশাপাশি দেলোয়ারের হাত-পা ভেঙে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম বাদশা মিয়া জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান, তবে তার আগেই পরিবারের সদস্যরা দেলোয়ারকে হাসপাতালে নিয়ে যান। দেলোয়ার চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে ইউপি চেয়ারম্যান দাবি করলেও কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত নন তিনি।

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মামুনুর রশিদ জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং তদন্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।