প্রথম আলো ইংরেজি অনুসারে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্যাপ্টেন রস্টন চেজের তিনটি উইকেটের পর বাংলাদেশ তৃতীয় দিনের শেষের দিকে ৭৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে খারাপ আলোয় খেলা বন্ধ করে। এতে বাংলাদেশ ১০৬ রান লিডে রয়ে যায়।
দ্বিতীয় ইনিংসে নায়েম হাসান ও জাকার আলী উভয়েই ১৮ রান করে, ২৯ ওভারের পর উম্পায়াররা খেলোয়াড়দের মাঠ থেকে বের করে দেয়; তাদের অংশীদারিত্ব ২৬ রান ছিল। জাকার আলী মোমিনুল হক-এর কনকাশন সাবস্টিটিউট হিসেবে খেলছে, যিনি আঘাতে মাঠ ছেড়েছেন।
প্রধান আলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ ৩৫ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ছিল; রস্টন চেজের অফ‑স্পিন ১১তম ওভারে শাদমান ইসলামকে ১৩ রান করে বোল্ড করে এবং তৌহিদ হ্রিদয়কে ডাক দিয়ে আউট করেন। এরপর চেজ শান্তুল হোসেন শান্তোকে ১০ রান করে এলবিডব্লিউ করে আউট করেন। বামহাতের স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান লিটন দাসকে ৪ রান এবং মেহেদি হাসান মিরাজকে ৯ রান করে আউট করেন, ফলে স্কোর ৫৩ রানে ছয় উইকেটের পর থেমে যায়।
চ্যানেল আই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই মুহূর্তে স্কোর ৫৩/৬ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ঢাকা পোস্টের তথ্য ৭৯/৬ বলে। উভয় আউটলেটই নায়েমের চারটি উইকেট (৪/৩৩) এবং জাকার আলীর ২৬‑রনের অংশীদারিত্বকে স্বীকার করেছে।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭২ রান তৈরি করে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৪৫ রান দিয়ে জবাব দেয়, ফলে হোস্ট দল ২৭ রান লিড পায়। নায়েম হাসান ৪/৩৩, তায়জুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান মিরাজ প্রত্যেকে দুইটি উইকেট নেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন ক্যাম্পবেল ও তাগেনারিন চ্যান্ডারপাউল অর্ধশতক পার করেছেন।
এই তথ্যগুলো প্রোথোম আলো ইংরেজি, চ্যানেল আই এবং ঢাকা পোস্টের রিপোর্টের সমন্বয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে।







