প্রথম আলো জানাচ্ছে যে উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩৫ জন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত ন্যাশনাল স্কুল অব পাবলিক পলিসিতে ১৪ দিনের প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন। প্রশিক্ষণ ৯ নভেম্বর শুরু হয়ে ২২ নভেম্বর শেষ হবে।
এদের মধ্যে অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার পাঁচজন ও যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার ত্রিশজন অন্তর্ভুক্ত। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা সরকারি আদেশে উল্লেখ আছে যে যাতায়াত, থাকা-খাওয়া ও প্রশিক্ষণের সব ব্যয় পাকিস্তান সরকার বহন করবে; বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক অংশগ্রহণ থাকবে না।
অধিক তথ্য
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চারজন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দুজন করে এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। কর্মকর্তারা ৮ নভেম্বর ঢাকা থেকে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে ফিরে আসার পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তুতে প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রমের পরিচালনা, সুশাসন, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সরকারি নীতিকৌশল অন্তর্ভুক্ত থাকবে; এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা জামান প্রথম আলোকে জানান।
পূর্বে মে ২০২৬-এ প্রথমবারের মতো ১২ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিস একাডেমিতে (CSA) প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন; তাতে একজন অতিরিক্ত সচিব ও ১১জন যুগ্ম সচিব ছিলেন।
প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা ভারতের সঙ্গে পূর্বে চলমান ছিল, তবে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের ফলে ভারতীয় প্রশিক্ষণ বন্ধ হয়ে পাকিস্তানকে নতুন গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি না থাকলেও পারস্পরিক বোঝাপড়া ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই তথ্যগুলো প্রথম আলো এবং ঢাকা টাইমস, ইত্তেফাক, চ্যানেল ২৪, আলোকিত বাংলাদেশ ইত্যাদি অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে সমন্বিত করা হয়েছে।







