ইনকিলাবের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিন দ্বিতীয় সেশন শেষে ৫৯ ওভারে ১৭৭ রান তুলেছে বাংলাদেশ। তিন উইকেট হারালেও শাদমান ইসলামের দৃঢ় ব্যাটিং এবং তৌহিদ হৃদয়ের সঙ্গে তার অবিচ্ছিন্ন জুটি বাংলাদেশকে স্বস্তির জায়গায় রেখেছে। শাদমান ১৬৭ বলে ৭৯ রান করে অপরাজিত আছেন, যার মধ্যে রয়েছে আটটি চার। অন্য প্রান্তে তৌহিদ হৃদয় ৭৪ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত, যেখানে তিনি মেরেছেন তিনটি চার। চতুর্থ উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এসেছে ৬৭ রান।

দিনের শুরুতেই ৯ রানে বাংলাদেশ হারায় তানজিদ হাসানের উইকেট। ২৩ বলে ৭ রান করে জেডেন সিলসের বলে জাস্টিন গ্রিভসের হাতে ক্যাচ দেন তানজিদ। এরপর শাদমান ও মুমিনুল হক দ্বিতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। মুমিনুল ৫১ বলে ২৮ রান করে জোমেল ওয়ারিকানের বলে শামার জোসেফের হাতে ক্যাচ দেন। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও শাদমান মিলে তৃতীয় উইকেটে আরও ৪২ রান যোগ করেন। ৪২ বলে ১৯ রান করা শান্তকে ৩৫.৩ ওভারে ওয়ারিকান এলবিডব্লিউ করে ফেরান। সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ওয়েস্ট ইন্ডিজের নেওয়া পর্যালোচনাতেও আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।

শান্তর বিদায়ের পর শাদমানের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তৌহিদ হৃদয়। এই জুটিই বাংলাদেশকে আর কোনো বিপদে পড়তে দেয়নি। চা বিরতির সময় শাদমান ৭৯ ও হৃদয় ৩৬ রানে অপরাজিত। শাদমান ৯৫ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেছিলেন পাঁচটি চারের সাহায্যে। ৫৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ১৭৭, রান তোলার হার ৩। বাংলাদেশের ইনিংসে অতিরিক্ত থেকে এসেছে ৮ রান—৩ বাই, ২ লেগবাই ও ৩ নো-বল।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জোমেল ওয়ারিকান ১১ ওভারে ২৮ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন। জেডেন সিলস ৮ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন। জশুয়া বিশপ ১২ ওভারে ৩৮, রস্টন চেজ ৯ ওভারে ৩৮, শামার জোসেফ ৯ ওভারে ২৪ এবং জাস্টিন গ্রিভস ১০ ওভারে ৩০ রান দিয়েছেন।

চা বিরতির পর বাংলাদেশের হাতে রয়েছে আরও সাত উইকেট। লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম এখনো ব্যাটিংয়ে নামেননি। ফলে প্রথম দিনের শেষ সেশনে শাদমান-হৃদয়ের জুটি কতটা বড় হয় এবং বাংলাদেশ কত রান নিয়ে দিন শেষ করে, সেটিই এখন ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ দিক।