আজকের পত্রিকা অনুসারে, জশুয়া বিশপের ৬৬তম ওভারের পঞ্চম বলের সময় তাওহিদ হৃদয় নন‑স্ট্রাইকে গিয়ে রান নিতে পারেননি, পরে তিনি হোঁচট খেয়ে প্রান্ত বদল করে নন‑স্ট্রাইকে পড়ে যান। মেডিকেল কর্মীরা তৎক্ষণাৎ উপস্থিত হন এবং হৃদয়কে স্ট্রেচারে করে মাঠ থেকে বের করে আনা হয়। সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার সঠিক অবস্থা অজানা, তবে ক্রাম্পের সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে পার্থক্য

দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে হৃদয় প্রথমে ৬৩তম ওভারে ক্রাম্পের শিকার হন, চিকিৎসা নিলেও অবস্থা উন্নত না হয়ে ৬৫.৫ ওভারে (জশুয়া বিশপের ওভারের পঞ্চম বল) স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন। মূল সূত্রে ওভার সংখ্যা ৬৬তম ওভার উল্লেখ করা হয়েছে, ফলে এই তথ্যের সঠিকতা যাচাই প্রয়োজন।

সমকালের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে হৃদয় ৪২ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট (Retired Hurt) হয়েছেন, তবে একই সময়ে “৮৪ বলে ৪২ রান” বাক্যটি দেখা যায়, যা সম্ভবত টাইপো। মূল সূত্রে ৪২ রান অপরাজিত অবস্থায় বিদায় নেওয়া হয়েছে, তাই রান সংখ্যার সঠিকতা নিশ্চিত করা দরকার।

ম্যাচের দ্বিতীয় সেশন শেষের দিকে আলোকস্বল্পতার কারণে ফ্লাডলাইট জ্বালানো হয় এবং পরে সমস্যার বাড়ার ফলে ম্যাচ কর্মকর্তারা খেলা বন্ধ করেন। ঢাকা পোস্টের সংক্ষিপ্ত শিরোনামও এই আলোকস্বল্পতা সমস্যাকে উল্লেখ করেছে।

সমকালের প্রতিবেদনে সাদমান ইসলাম ও তাওহিদ হৃদয়ের অংশীদারিত্ব, স্কোর এবং অন্যান্য খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের বিস্তারিত তথ্য রয়েছে, যা মূল সূত্রে উল্লেখ নেই। এই সংখ্যাগুলো (যেমন সাদমানের ৯৪ রান, হৃদয়ের ৩৬ রান ইত্যাদি) আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া হয়েছে এবং সঠিকতা যাচাই করা প্রয়োজন।

সারসংক্ষেপে, তাওহিদ হৃদয় ক্রাম্পের ফলে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন এবং আলোকস্বল্পতার সমস্যায় টেস্টের দ্বিতীয় সেশন বন্ধ হয়। এই তথ্যগুলো আজকের পত্রিকা, দেশ রূপান্তর, সমকাল এবং ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন থেকে সংকলিত হয়েছে।