আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬ কোটি ১৯ লাখ ডলার হলেও আমদানি ৭৯ কোটি ৬ লাখ ডলার, ফলে ৭২ কোটি ৮৭ লাখ ডলার বাণিজ্য ঘাটতি দেখা গেছে।
এর পূর্ববর্তী তিন বছরে রপ্তানি ৬ কোটি ৪২ লাখ ডলার (২০২৩-২৪) ও ৭ কোটি ১৭ লাখ ডলার (২০২২-২৩) ছিল, আর আমদানি যথাক্রমে ৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার ও ৯৪ কোটি ৫২ লাখ ডলার, যা দেখায় রপ্তানি বাড়েনি বরং কমেছে।
এই পরিস্থিতি কমাতে সরকার থাইল্যান্ডে ওষুধ ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবটি ব্যাংককে অনুষ্ঠিত দুই দেশের চতুর্থ পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ (FOC) বৈঠকে তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম, আর থাইল্যান্ডের পক্ষে ছিলেন স্থায়ী সচিব একসিরি পিন্তারুচি। উভয় পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) নিয়ে দ্রুত আলোচনা শুরু করার অনুরোধ জানিয়েছে।
প্রস্তাবের পাশাপাশি বাংলাদেশ ফল ও সবজি প্রক্রিয়াজাতকরণে থাইল্যান্ডের কারিগরি সহযোগিতা ও বিনিয়োগ চেয়েছে, হালাল খাদ্য বাজারে প্রযুক্তি বিনিময় প্রস্তাব করেছে, এবং জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলেছে।







