ইত্তেফাকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ২১ নভেম্বর থেকে গ্রহণ করবে। পূর্ব ঘোষিত সূচি অনুসারে, ভর্তি পরীক্ষা ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিবরণ

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির প্রধান ও তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান ৭ নভেম্বর (শনিবার) এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, “আমরা ১৬ জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পরীক্ষার স্থান সীমিত এবং সর্বোচ্চ ১০,০০০ শিক্ষার্থীই পরীক্ষা দিতে পারবে।

অধ্যাপক কামরুল হাসান উল্লেখ করেন যে, জিপিএ‑৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ, তাই আবেদনকারী সংখ্যা বেশি হলে অনেকেই বাদ পড়বেন এবং যোগ্যতা শিথিল করার কোনো প্রয়োজন নেই। আবেদন শেষ সময়ের বিজ্ঞপ্তি পরে জানানো হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পুনঃপরীক্ষা পরিকল্পনা

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বা দুই বিষয়ের অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুনঃপরীক্ষা ২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে এবং ফলাফল প্রকাশের সময়ও মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করেছে।

মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৪ নভেম্বর একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন। সভার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েট নির্ধারিত সময়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে।

প্রায় ৪,২০,০০০ শিক্ষার্থী যারা এক বা দুই বিষয়ের অকৃতকার্য, তারা পুনঃপরীক্ষা পাস করলেও বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। এছাড়া, জিপিএ‑৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে ৪০,০০০ হয়েছে, যার মধ্যে বিজ্ঞান ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগে ২৬,৭০২ জন।

বুয়েটের বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হতে হলে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ‑৪ এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ‑৫, পাশাপাশি পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও উচ্চতর গণিতে আলাদা করে গ্রেড পয়েন্ট‑৫ বা এ‑প্লাস থাকতে হবে। এই শর্তের কারণে আবেদনকারীর সংখ্যা কমতে পারে, তবে বুয়েটের কর্তৃপক্ষ যোগ্যতা অপরিবর্তিত রাখবে।