কক্সবাজারে গ্যাসের নমুনায় কনডেনসেট পাওয়া গেছে, যা উচ্চ হাইড্রোকার্বনের ইঙ্গিত দেয়, দেশ রূপান্তর অনুযায়ী।

বাপেক্সের প্রতিনিধিদল গ্যাসের সাথে কনডেনসেট উপস্থিতি লক্ষ্য করেছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করতে হবে।

বাংলাদেশে স্বল্পগভীর টিউবওয়েল থেকে গ্যাসের সাথে পানি উঠে আসে, কিন্তু কক্সবাজারে গ্যাসের সাথে কনডেনসেট উঠে আসছে, যা গ্যাস খনি থেকে সাধারণত দেখা যায়।

শাহবাজপুরে ২৫–৩০ বছর ধরে বায়োজেনিক গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে, যা অগভীর ভূ-স্তরে পাওয়া যায়।

কক্সবাজারে গ্যাসের গভীরতা প্রায় ৮০০ ফুট, যা সাধারণত ২৫০০–৩৫০০ ফুট গভীরতার গ্যাসক্ষেত্রের চেয়ে কম।

ইনানী এলাকায় ২৭ অক্টোবর গ্যাসের আগুন জ্বলতে শুরু করে, তিন দিন ধরে তীব্রতা বাড়ছে, এবং ভূমিধস ও বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

বাপেক্স ও প্রশাসন ২০০ মিটার নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে, কাঁটাতার ও লাল পতাকা দিয়ে এলাকা ঘেরাও করছে।

ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ টিম স্থায়ীভাবে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত কক্সবазарে থাকছে।

বাপেক্সের অনুসন্ধান বিভাগ জানিয়েছে, সাধারণত ২৫০০–৩৫০০ ফুট গভীরতা থেকে গ্যাস উত্তোলন হয়, কিন্তু ইনানীতে ৮০০ ফুট থেকে গ্যাস বের হচ্ছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক সতর্ক করেছেন, গ্যাস উদ্গিরণ স্থল ও আশপাশে যেকোনো মুহূর্তে বিস্ফোরণ ও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।