দেশ রূপান্তর অনুসারে, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা, জ্বালানি তেল‑গ্যাসের ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তির চাপ এবং সরবরাহ‑চাহিদার পার্থক্যের ফলে বাংলাদেশের খোলা বাজারে মার্কিন ডলারের দাম ১২৮ টাকা ২০ পয়সা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান উল্লেখ করেন, জ্বালানি তেল‑গ্যাসের আমদানি ব্যয়ের চাপ এবং বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে ডলারের চাহিদা বাড়ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে interbank বাজারে ডলারের দর ০.২৭% এবং মাসের ব্যবধানে ০.৭৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার interbank মুদ্রাবাজারে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর উভয়ই ১২৩ টাকা ৯৮ পয়সা, গড় দামও একই। এক সপ্তাহ আগে গড় দাম ছিল ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা।

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক স্পট মার্কেটে ডলার ১২৪ টাকা ১০ পয়সা দরে বিক্রি করেছে, কিনেছে ১২৩ টাকা ১০ পয়সা। বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক ১২৪ টাকা ২৮ পয়সা দরে বিক্রি করেছে, কিনেছে ১২৩ টাকা ২৮ পয়সা।

মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি) প্রতিদিন সকালেই ডলারের দর নির্ধারণ করে এবং এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো সেই দরে লেনদেন করে। বুধবার এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো ১২৮ টাকা দরে বিক্রি করেছে, কিনেছে ১২৭ টাকা।

মৌলিক বাজারে, রাজধানীর মতিঝিল ও গুলশানে ডলার ১২৮ টাকা ২০ পয়সা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

২৪ আগস্ট থেকে এমসিএবি ডলারের দর বেঁধে দিচ্ছে এবং প্রতিদিন তার ওয়েবসাইটে হার প্রকাশ করছে, এ বিষয়ে এমসিএবির সভাপতি এম.এস. জামান মন্তব্য করেন যে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ, অস্থিরতা ও মুদ্রাস্ফীতি ডলারের দাম বাড়াচ্ছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২৫‑২৬ অর্থবছরের শেষ দিন (৩০ জুন) interbank মুদ্রাবাজারে টাকার‑ডলার হার ছিল ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা; এক বছর আগে (১৯ অক্টোবর ২০২৫) হার ছিল ১২১ টাকা ৮৭ পয়সা।

উপরের তথ্য দেশ রূপান্তর থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।