পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় অবস্থিত এক বাড়িতে ভেজাল দুধ উৎপাদনের কারখানা ধ্বংসের জন্য উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালায়। আজকের পত্রিকা অনুসারে, অভিযানটি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। অভিযানে ৩৬ ড্রাম জেলি (প্রায় ২,৭০০ কেজি), ২০০ লিটার তেল এবং ৩২০ লিটার প্রস্তুত করা ভেজাল দুধ জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত মালিক আবুল বাশারকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকার অর্থদণ্ড এবং তার সহযোগী সবুজকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। অভিযানের সময় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান এবং থানা‑পুলিশের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্য সূত্রে পার্থক্য

আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিবেদনে একই ঘটনা শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং জব্দকৃত জেলির বাজারমূল্য প্রায় আট লাখ টাকা বলা হয়েছে। এছাড়া, এই সূত্রে মালিক ও সহযোগীর পিতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে (আবুল বাশার – আবু তালেব প্রামাণিকের ছেলে, সবুজ – মো. হাবিল প্রামাণিকের ছেলে) এবং উপস্থিত অতিরিক্ত কর্মকর্তাদের নাম (এনএসআই কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. নুরুল ইসলাম) উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে অভিযানের তারিখ ও সময়কে আবারও শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৯টা‑১১টা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে জেলির ও তেলের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। ঢাকা পোস্টের শিরোনাম থেকে জানা যায় জেলির মোট ওজন ২,৭০০ কেজি, তবে অন্য কোনো বিশদ তথ্য নেই।

এই পার্থক্যগুলোকে বিবেচনা করে, মূল ঘটনাবলি আজকের পত্রিকা ও আলোকিত বাংলাদেশ, দেশ রূপান্তর, ঢাকা পোস্টের তথ্যের সমন্বয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এই তথ্য আজকের পত্রিকা অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে।