যশোর শহরের বকুলতলা মোড়ে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে ভোরে আগুন লাগে, তথ্য আজকের পত্রিকা জানায়।
৩৫ সেকেন্ডের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
অগ্নিসংযোগের পর স্মৃতিস্তম্ভে কালো চিহ্ন দেখা যায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে দুই পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন; তারা সেই রাতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।
দুটি পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে; একজন সহকারী উপপরিদর্শক ও অন্যজন কনস্টেবল, উভয়েই যশোরের পুরোনো কসবা পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন, নাম জানা যায়নি।
সামাজিক মিডিয়ায় ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যায়, রাতের আঁধারে দুই ব্যক্তি স্মৃতিস্তম্ভে আগুন ধরায় এবং তিনজন যুবক দ্রুত চলে যায়; স্লোগান ‘শেখ হাসিনা’ ও ‘জয় বাংলা’ শোনা যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এবং বিশ্লেষণ করে অগ্নিসংযোগে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকানোর চেষ্টা চলছে।
যশোর পুলিশ ৪১ জন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী গ্রেপ্তার করেছে, যার মধ্যে যশোর সদরে ১৭ জন, চৌগাছায় ২ জন, মনিরামপুরে ৩ জন, শার্শায় ২ জন, অভয়নগরে ৪ জন, কেশবপুরে ৩ জন, বাঘারপাড়ায় ৪ জন, বেনাপোলে ৪ জন ও ঝিকরগাছায় ২ জন রয়েছে।
কেশবপুরে ধানখেতের সেচপাম্পের হাউস থেকে উদ্ধার হওয়া নারী ও পুরুষের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে; তারা উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের মাগুরখালি গ্রামের মৃত জোবান আলী সর্দারের ছেলে আলেক সর্দার (৪৫) ও তাঁর স্ত্রী মাজেদা বেগম (৩৮)।
সামাজিক মিডিয়ায় ছড়ানো ভিডিও ও পুলিশ কার্যক্রমের তথ্য সমকাল, চ্যানেল ২৪ ও ঢাকা পোস্টেও রিপোর্ট করা হয়েছে।







