আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পোর্টেবল এক্স-রে মেশিনে আগুন দেওয়া হয়েছিল, যা ২৮ জানুয়ারি ভোর ৪টা ৮ মিনিটে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সামনে অন্য একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি দ্বারা ঘটিত। নার্সিং ডেস্কের পাশে রাখা হচ্ছিল মেশিনটি, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও মেশিন সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে যায় (আজকের পত্রিকা)

এই ঘটনারপর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলামকে সভাপতি করে ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, যিনি নির্দিষ্ট সময়ে পরিচালকের কাছে প্রতিবেদন জমা দিলাম। তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি, আর পুলিশ সিন্ডিকেটের ঘটনায় কেউ শনাক্ত করতে সফল হয়নি, ফলে আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয় (আজকের পত্রিকা)

গত সোমবার রাতে হাসপাতালের ছোট ভাই মো. লিটনকে ফোন করা হয়, তিনি সিদ্ধান্ত দেন, ‘এসব বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই, ভাই হাসপাতালের পরিচালক, তাদের আলাদা সংসার’ এবং ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন (আজকের পত্রিকা)

হাসপাতালের মাঝে দুটি পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন রয়েছে; একটি পুরোনো মডেল অচল, আর অন্যটি আগুন পরই সেবা বন্ধ হয়ে যায়। বাইরে থেকে নতুন মেশিনের ব্যবহার করলে খরচ পাঁচ থেকে সাত গুণ বেশি, আর প্রচারপত্রে ছুটির দিনেও এক্স-রে করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় (আজকের পত্রিকা)

রেডিওলজি বিভাগে রোগী যদি বাইরে থেকে এক্স-রে করলে ২২০ টাকা লাগে, আর বাইরে থেকে মেশিন ডাকলে এক থেকে দেয় হাজার টাকা, যা বাহ্যিক পরীক্ষার খরচের তুলনায় উল্লেখযোগ্য (আজকের পত্রিকা)

গত সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল-ইসলামনouvে যোগ দেন, তবে আগুন ঘটনার পর ২৯ অক্টোবরের বিশেষ রেসপন্স ব্যাটালি সদস্যের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু হয়েছে, এবং ২৯ অক্টোবরের বিকেল পাঁচটার দিকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগী মারা গেছেন (আজকের পত্রিকা)