সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে চৌশতপুর গ্রামের দুই বন্ধু, সাহেল মিয়া এবং তারেক (মারফত উল্লাহরের ছেলে) আইফোনের লোভে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত।

সাহেল মিয়া, নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে, তারেকের কাছে থাকা দামি আইফোন ১১‑এর জন্য তাকে গলা কেটে হত্যা করে এবং মৃতদেহকে লাখাই উপজেলার একটি খালে ফেলে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

দেশ রূপান্তর ও Daily Observer উভয়ই জানায়, দুইজন বন্ধু ২১ অক্টোবর লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে সুরের রহমানের বাড়িতে কাজের জন্য গিয়েছিলেন; সেখানে আইফোনের লোভে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

তারেকের নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দাখিল করে। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে সমকাল জানায়, পুলিশ মঙ্গলবার চৌশতপুরের একটি চায়ের দোকান থেকে সাহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। দেশ রূপান্তর অনুসারে, গ্রেপ্তারটি তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় সম্পন্ন হয়েছে।

গ্রেপ্তার পর, সন্দেহভাজন প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ লাখাই ও নবীগঞ্জ থানা যৌথভাবে ফুলবাড়িয়া গ্রামের ডোবা (পুকুর) থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতদেহটি হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।

নবীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল হোসেন এবং লাখাই থানার ওসি শরীফ আহমেদ উভয়ই আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান বলে জানিয়েছেন।

এই প্রতিবেদনটি সমকাল থেকে নেওয়া হয়েছে।