সারাবাংলা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর ২০২৬-এ রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’ আয়োজনের সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, জ্বালানির দাম ৩২ ডলারে পৌঁছেছে এবং সৌরবিদ্যুৎ বাড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই।

মন্ত্রী জানান, গত আট মাস ধরে সরকার সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করছে এবং আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও অফ-গ্রিড হয়ে গেছেন এবং নিজের বাসায় গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন না।

সারাবাংলা রিপোর্টে উল্লেখ আছে যে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ২০৩০ সালের মধ্যে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান কমানোর লক্ষ্য স্থির করেছেন।

সরকার ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬–২০৩০’ জারি করেছে। নেট মিটারিংয়ে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১০.৫০ টাকা কেনার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে, এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সৌরপ্যানেল স্থাপনে অপেক্স মডেল উৎসাহিত করা হচ্ছে।

সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারিসংশ্লিষ্ট পণ্যের আমদানি শুল্ক ১ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে এবং মূসক সম্পূর্ণ মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য রয়েছে।

এক্সপোতে আধুনিক প্রযুক্তি, বিনিয়োগ সম্ভাবনা, প্রকল্প অর্থায়ন এবং কারিগরি সহায়তা প্রদর্শন করা হবে। চারটি বিশেষায়িত সেমিনারে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরপ্যানেল স্থাপন, আবাসিক ও শিল্প খাতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।

সারাবাংলা অনুযায়ী, সরকার সৌরবিদ্যুৎ বাড়িয়ে আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ কমিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে চায় এবং আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নত হবে বলে আশা করছে।