ঢাকা পোস্টের মতে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ (ICT‑2) ৫ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে আমির হোসেন আমু, মির্জা আজম, শাজাহান খান, ফারুক খান, আবদুর রাজ্জাক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী ও ডা. দীপু মনিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ দাখিল করেছে।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীরের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের প্যানেল, ছয়জনকে হাজিরের নির্দেশ জারি করেছে এবং মির্জা আজমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
প্রসিকিউশন গাজী এমএইচ তামিমের নেতৃত্বে ফারুক আহাম্মদ, মার্জিনা রায়হান ও সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্য প্রসিকিউটরদের সহায়তায় জুলাই‑আগস্ট ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান দমনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলে ধরেছে।
এর মধ্যে মির্জা আজম ছাড়া বাকিরা কারাগারে থাকলেও, মির্জা আজমকে পলাতক হিসেবে গণ্য করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী শুনানির তারিখ ২২ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে।
এই মামলায় আমির হোসেন আমুসহ সাতজনকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারূপে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাদের জুলাই‑আগস্টের আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।







