ইত্তেফাকের মতে, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ রবিবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল‑১‑এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম মুছা মিয়া নামের এক ইমামকে কিশোরী শিক্ষার্থীর ওপর ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। জরিমানা ভুক্তভোগীকে সরাসরি দিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছে।
মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানার হরিচণ্ডী গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের ছেলে এবং জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকায় অবস্থিত জামে মসজিদে ইমাম ও শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, কিশোরী শিক্ষার্থী আরবি শিক্ষা নিতে মসজিদে যেতেন; মুছা মিয়া তাকে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে সকালে পরিষ্কার‑পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৮ নভেম্বর এবং ১ ও ২ ডিসেম্বর (বছর উল্লেখ নেই) তাকে ধর্ষণ করেন। কিশোরীর মা ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ৫ মে ২০২১ তারিখে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে এবং দশজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালত রায় দেয়।
অন্যান্য সংস্থার প্রতিবেদন
বাংলা ট্রিবিউন, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা এবং বার্তা২৪ একই রকম তথ্য প্রকাশ করেছে; তারা সকলেই মুছা মিয়াকে আজীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা আরোপের কথা উল্লেখ করেছে এবং বিচারকের নাম মুহাম্মদ আবদুর রহিম উল্লেখ করেছে। তবে ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে একই রকম শাস্তি মেহেরপুরে একটি স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় দেওয়া হয়েছে, যা মূল ইত্তেফাকের কাহিনীর স্থান (জামালপুর) থেকে ভিন্ন।
এই তথ্য ইত্তেফাক অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে।







