ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসা ইরানি প্রতিনিধিরা সোমবার দোহা ত্যাগ করেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে, বৈঠকের বিষয়ে অবগত এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তির একটি খসড়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে এবং পরবর্তীতে আবারও বৈঠক হতে পারে।
ইরানের দাবি ও পরিকল্পনা
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, আলোচনাটি হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার লক্ষ্যে ইরানের তৈরি সাত দফার একটি পরিকল্পনা ঘিরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, মার্কিন নৌ অবরোধের অবসান এবং ইরানের ন্যায্য প্রয়োজনীয়তা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও চুক্তি সই হবে না।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান সহজতর করার লক্ষ্যে দোহায় অবস্থান করছিলেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি খোলার সাত দিনের পরিকল্পনা কমিয়ে দুই দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যেতে পারে।
অন্যদিকে, চ্যানেল ২৪-এর প্রতিবেদনে বিশ্লেষক টাকার কার্লসনের দাবি উল্লেখ করা হয়েছে যে, কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানে পারমাণবিক হামলা চালাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন করে কোনো হামলা চালাবে না বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, যদিও ভবিষ্যতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি তিনি উড়িয়ে দেননি।






