প্রথম আলো অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন অনিয়ম, জালভোট এবং পোলিং এজেন্টদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের আহ্বান জানিয়েছেন।

ফলাফল প্রকাশের সময়, রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম ১০টা নাগাদ ঘোষণা করেন যে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ২,২৭,৯১৭ ভোটে বিজয়ী হন, আর জামায়াতের প্রার্থী ৯৬,৫১৩ ভোট পান।

দেলাওয়ার হোসেন ৯টা সন্ধ্যায় জামায়াতের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের শুরু থেকেই সরকারি দলের প্রার্থী ও সমর্থকরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন এবং ভোটারদের ভীতিকর পরিবেশে ভোট দিতে বাধ্য করেছেন।

প্রথম আলোতে উল্লেখ আছে যে, দেলাওয়ার হোসেন বিক্ষোভের পরিকল্পনা শুক্রবারে করেছিলেন, কিন্তু নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ হওয়ায় তিনি তা শনিবার বিকেল ৪টায় স্থগিত করেন।

বাংলা ট্রিবিউন ও চ্যানেল ২৪ একই ঘটনা রিপোর্ট করেছে, তবে তারা ফলাফল হিসেবে মির্জা ফয়সল আমীনকে ১,৩০,০০০ এর বেশি ভোটে জয়ী বলে উল্লেখ করেছে, যা প্রথম আলোর সংখ্যার থেকে ভিন্ন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে উপস্থিত ছিলেন এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

উপনির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যার মধ্যে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থীরা ছিলেন।

প্রথম আলো অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হন, পরে তিনি রাষ্ট্রপতির শপথ নেওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা হয়।