ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী তাদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারির বিবৃতিতে, সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও তেল শোধনাগারে ছয়টি হামলা চালানোর দাবি করেছে। তিনি রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রাস তানুরা তেল শোধনাগার, আবকাইক এলাকায় আরামকোর একটি স্থাপনা, রাবিগ তেল শোধনাগার এবং নাজরান অঞ্চলের একটি সামরিক সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণ করা হয়েছে বলে জানান।

সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানায়, ধ্বংসাবশেষের আঘাতে রিয়াদে এক সৌদি নাগরিক আহত হয়েছে এবং একটি বাড়ি ও একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে হুতিদের এই দাবিগুলোর স্বতন্ত্র কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

গত সপ্তাহের শুরুতে তেহরানে সৌদি আরব ও ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক হয়, যেখানে সংলাপের মাধ্যমে হুতি-সৌদি সংঘাত সমাধানের বিষয়ে একমত হয়। বৈঠকে তুরস্ক ও পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। তবে বৈঠকের পরও উভয় পক্ষের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাওয়া রিপোর্ট হয়েছে।

সৌদি-হুতি যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, হুতিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদের দিকে যাওয়ার সময় আরব জোটের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সেগুলো শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে।

এই তথ্য অনুযায়ী, প্রথম আলো সূত্রে উপস্থাপিত হয়েছে।