বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, বাগেরহাটের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে জিন্দা পীর মসজিদ একটি অনন্য নিদর্শন।
মসজিদটি খান জাহান আলীর মাজারের উত্তর‑পশ্চিম কোণে অবস্থিত এবং চারটি গোলাকার বুরুজের মাধ্যমে চার কোণ সজ্জিত।
দেয়ালগুলো প্রায় ১.৫২ মিটার পুরু, পূর্ব দিকে তিনটি খিলানযুক্ত দরজা এবং উত্তর‑দক্ষিণ দিকে প্রত্যেকটিতে একটি করে দরজা রয়েছে। সামনের দিকে তিনটি মেহরাব আছে।
অর্ধগোলাকার গম্বুজটি ২০০২ সালে সংস্কার করা হয়, তবে সংস্কারের ফলে প্রাচীন স্থাপত্যের কিছু বৈশিষ্ট্য বদলে গেছে বলে মনে করা হয়।
মসজিদের নামের পেছনে একটি লোককথা রয়েছে: এক বুজুর্গ ব্যক্তি কোরআন তিলাওয়াত করতে করতে অদৃশ্য হয়ে যান এবং স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন তিনি এখনও জীবিত আছেন, তাই তাকে ‘জিন্দা পীর’ বলা হয়।
এই কাহিনির পক্ষে নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে মসজিদ প্রাঙ্গণে পুরোনো কবরও দেখা যায়, যেগুলোর নামফলক নেই।
জিন্দা পীর মসজিদ দেখতে হলে প্রথমে বাগেরহাট শহরে যেতে হবে; ঢাকা থেকে বাসে যাত্রা করা যায়, তারপর স্থানীয় অটোরিকশা বা রিকশায় মাজার এলাকায় পৌঁছে কয়েক মিনিট হাঁটলেই মসজিদে পৌঁছানো যাবে।







