ঢাকা, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ (বাসস) – আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোড অব কন্ডাক্টের কঠোর বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের মতে, বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি, ভোটারকে কেন্দ্র থেকে বাধা দেওয়া অথবা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাজের পথে বাধা সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাস্তি ও প্রার্থিতা বাতিলের বিধান
বিধিমালার ধারা ৮০(ক) অনুযায়ী, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারীকে হুমকি, আঘাত বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বাধা দিলে সর্বোচ্চ দুই বছরের জেল, ১০,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড আরোপ করা হবে। একইভাবে, ভোটারকে কেন্দ্র থেকে বাধা দেওয়া, প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দিতে না দেওয়া ইত্যাদি কাজেও একই শাস্তি প্রযোজ্য। পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং এর লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জেল অথবা ১০,০০০ টাকা জরিমানা হতে পারে।
বিবাদী প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোড লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনের কাছে পৌঁছালে, সত্য প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিলের বিধানও প্রয়োগ করা হবে। এছাড়া, ভোটকেন্দ্রের ফলাফল যদি অনিয়মের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়, তবে কমিশন ফলাফল স্থগিত বা পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
নির্বাচনের সময়সূচি ও প্রস্তুতি
ইসির হালনাগাদ বিধিমালা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপ, ১৩ মে চতুর্থ ধাপ এবং ২৭ মে পঞ্চম ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আনুমানিক ৪,৩০০ ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়েছে; আইন অনুযায়ী এই ইউনিয়নগুলোর নির্বাচন ২০২৭ সালের ২৭ মে পর্যন্ত সম্পন্ন করতে হবে। প্রতিটি ধাপে প্রায় ৮০০ থেকে ১,০০০ ইউনিয়ন নির্বাচন হবে বলে কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ উল্লেখ করেছেন।
বিএসএসের প্রতিবেদনে একই বিষয়বস্তু উল্লেখ করা হয়েছে এবং সিইসির উক্তি ও শাস্তির ধারা একইভাবে তুলে ধরা হয়েছে। উভয় সূত্রই নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চাওয়ার কথা জানিয়েছে।
এই তথ্য বাসস অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে।







