সুন্দরবনের দুবলার চরে ২৮‑বছর বয়সী পর্যটক রিয়াজ আহমেদ (ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার কাঠালী পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা) ১২ টার দিকে সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন। সমুদ্রের প্রবল ঢেউ ও স্রোতে তিনি তলিয়ে যান।

সমকাল অনুযায়ী, রিয়াজ ‘সুন্দরবন ইকোট্যুরিজম‑২’ নামের কাঠের তৈরি ছোট পর্যটকবাহী লঞ্চে ১৯ জন পর্যটকের সাথে সুন্দরবনে ভ্রমণ করছিলেন। লঞ্চটি ৫ নভেম্বর সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলী স্টেশন থেকে তিন দিনের অনুমতিপত্র নিয়ে মান্দারবাড়ী নৌপথে প্রবেশ করে।

ঢাকা টাইমস ও সারাবাংলা অনুযায়ী, একই যাত্রা ‘মিজানুর রহমান ইকো ট্যুরিজম‑২’ (বিএলসি নম্বর ২৬২৭০৮০৬০০৪) নামে পরিচিত, এবং রিয়াজের বয়স ২৭ বছর। উভয় সূত্রে ১৯ জন পর্যটক ছিল বলে উল্লেখ আছে।

রিয়াজের নিখোঁজ হওয়ার পর, আলোরকোল শুঁটকি পল্লির জেলেরা ট্রলার নিয়ে তল্লাশি শুরু করেন। সমকাল জানায় যে, রাতে সাগরে প্রচণ্ড ঢেউ ও অন্ধকারে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হয়।

কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথে একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সুন্দরবন বিভাগের দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমানও জানান, বন বিভাগের সদস্যরাও বিভিন্ন এলাকায় টহল ও অভিযান চালাচ্ছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত রিয়াজের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ঢাকা টাইমস ও সারাবাংলা অনুযায়ী, ওই দিন ৬ নভেম্বর দুপুর ১টার দিকে বোটটি দুবলার চর এলাকায় আটকে যায় এবং চারজন পর্যটক ঢেউয়ে ভেসে যান, তিনজন উদ্ধার হয়। রিয়াজকে সেই চারজনের মধ্যে একজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যাকে উদ্ধার করা যায়নি। সমকালে এই তথ্য উল্লেখ নেই।