মাগুরা সদর উপজেলার রামনগর হাইওয়ে এলাকায় দুইটি মোটরসাইকেল মুখোমুখি ধাকায় ২৫ বছর বয়সী আবদুল্লাহ শেখ নিহত হন এবং মিজানুর রহমান গুরুতর আহত হন। এই তথ্য আজকের পত্রিকা অনুসারে পাওয়া গেছে।
আবদুল্লাহ শেখ, বেলনগর গ্রাম (বাকি শেখের ছেলে) ছিলেন এবং তিনি কৃষক পেশায় যুক্ত ছিলেন। তিনি মধুখালী বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় জড়েছিলেন। মিজানুর রহমান কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি গ্রাম থেকে আসা একজন আরিয়া ম্যানেজার, যিনি পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস‑এ কর্মরত।
রামনগর হাইওয়ে থানার ওসি আবদুল হালিমের মতে, দুজনই আহত হওয়ায় স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে নিয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে পৌঁছে, সেখানে আবদুল্লাহকে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং মিজানুরকে ভর্তি করা হয়। মৃতের দেহ হাসপাতালের মরগে রাখা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারকে হস্তান্তর করা হবে।
অন্যান্য সূত্রের বিবরণ
ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, দুর্ঘটনা মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮ টার দিকে মাগুরা‑ফরিদপুর মহাসড়কের রামনগর থাকুরবাড়ি এলাকায় ঘটেছে। এতে মিজানুর রহমানকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত সেবার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। এছাড়া, ঢাকা টাইমস মিজানুরের পিতার নাম আবদুর রশিদ বিশ্বাস এবং তার গ্রাম সাদারপুর উল্লেখ করেছে, যা আজকের পত্রিকায় দেওয়া প্যান্টি গ্রাম থেকে ভিন্ন।
আলোকিত বাংলাদেশও একই রকম তথ্য প্রকাশ করেছে, যেখানে রামনগর থাকুরবাড়ি এলাকায় সংঘর্ষের কথা বলা হয়েছে এবং মিজানুরকে গুরুতর আহত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে স্থানান্তর বা পিতার নামের কোনো উল্লেখ নেই।
দুই সূত্রই উল্লেখ করেছে যে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুটো মোটরসাইকেল হেফাজতে নিয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপরের সব তথ্য আজকের পত্রিকা, ঢাকা টাইমস এবং আলোকিত বাংলাদেশ সূত্রে পাওয়া গিয়েছে।







