খুলনা নগরীর নিরালা এলাকায় সালমান নামের এক যুবককে গুলি করে ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে আজকের পত্রিকা, সমকাল ও বাংলা ট্রিবিউন। তবে ইনকিলাব ও প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঘটনার সময় বেলা সোয়া ১১টা উল্লেখ করা হয়েছে। আহত অবস্থায় সালমানকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আজকের পত্রিকা জানায়, গুলিবিদ্ধ সালমান (২৩) নগরীর ১৬ নম্বর সড়কের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরের ছেলে এবং ক্যামেল সিগারেট কোম্পানির কর্মচারী। বাংলা ট্রিবিউন ও ইনকিলাবের প্রতিবেদনেও একই কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে সমকাল ও প্রথম আলো তাকে জাপান টোব্যাকো কোম্পানির অফিস সহকারী উল্লেখ করে জানায়, তিনি ১৭ নম্বর সড়কের সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা। প্রথম আলো তার বয়স ২৫ বছর এবং বাবার নাম জাহাঙ্গীর হোসেন বলে উল্লেখ করেছে।

আজকের পত্রিকার তথ্যমতে, ১৭ নম্বর সড়কে কোম্পানির কার্যালয়ের সামনে সালমান কাজ করার সময় মোটরসাইকেলে তিন যুবক এসে তাকে গুলি করে ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে হামলাকারীদের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। সমকাল জানিয়েছে, দুটি মোটরসাইকেলে চারজন দুর্বৃত্ত এসে সালমানের পেটের ডান পাশে গুলি চালিয়ে ব্যাগ ছিনতাই করে। প্রথম আলো বলছে, দুটি মোটরসাইকেলে পাঁচজন এসে এই হামলা চালায়।

ব্যাগে কী ছিল তা নিয়েও সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে ভিন্নতা রয়েছে। আজকের পত্রিকা জানিয়েছে, ব্যাগে টাকা ছিল বলে স্থানীয়রা ধারণা করলেও ভেতরের জিনিসপত্রের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইনকিলাব ও বাংলা ট্রিবিউন এটিকে টাকার ব্যাগ বললেও সমকাল ও প্রথম আলো বলছে এটি ল্যাপটপের ব্যাগ ছিল। সমকালকে জাপান টোব্যাকোর এক কর্মকর্তা জানান, সালমান প্রতিদিন টাকা নিয়ে ব্যাংকে গেলেও ঘটনার দিন তার ব্যাগে ল্যাপটপ ছিল।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন রিপন আজকের পত্রিকাকে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। চিকিৎসকদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রথম আলো জানায়, আহত সালমান বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।

আজকের পত্রিকা খুলনা অঞ্চলের আরও কিছু খবরের উল্লেখ করে জানায়, বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ জন ও সন্দেহজনক হামে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া খুলনার বটিয়াঘাটায় সোমবার রাতে সাবেক এক ছাত্রদল নেতা গুলিবিদ্ধ হন এবং রূপসায় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার দায়ে এক শিক্ষককে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে মোবাইলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।