বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পাহাড়ে ঘন ঝোপঝাড় আর পাথুরে ছড়ার আড়ালে অবস্থিত একটি প্রাচীন জলাধারের নাম কুমারীকুণ্ড। স্থানটির মূল আকর্ষণ হলো পাথর দিয়ে বাঁধানো কূপের মতো এই জলাধার, যার জলে নীলচে আভা দেখা যায় এবং তলদেশ থেকে গ্যাসের বুদবুদ উঠে আসে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানটির আনুমানিক গভীরতা আট থেকে দশ ফুট। চারপাশের দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে এবং আশপাশে অদ্ভুত আকৃতির পাথর ও পুরনো ইটের অবশেষ পাওয়া যায়। স্থানীয় পর্যায়ে ধারণা করা হয়, কুমারীকুণ্ড একসময় কোনও প্রাচীন ধর্মীয় স্থাপনা বা তীর্থস্থানের অংশ হয়ে থাকতে পারে, তবে এর সঠিক নির্মাণকাল বা ইতিহাস নিয়ে নির্ভরযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্য সীমিত।
বাংলা ট্রিবিউন জানায়, ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ড যেতে সড়কপথে চট্টগ্রামগামী বাসে যাত্রা করা যায়। সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে এস.আলম, সৌদিয়া, গ্রীনলাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ, বাগদাদ এক্সপ্রেস ও ইউনিক প্রভৃতি বাস চলাচল করে, যাগুলো সীতাকুণ্ডে থামে। সীতাকুণ্ড বাজারে পৌঁছে স্থানীয়দের সাহায্য নিয়ে অভিজ্ঞ গাইডের ব্যবস্থা করলে কুমারীকুণ্ডে পৌঁছানো সহজ হয়। বর্ষাকালে পথ পিচ্ছিল ও পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকায় আবহাওয়া খারাপ থাকলে যাত্রা এড়িয়ে চলাই নিরাপদ বলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।







