ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুসারে, নাইজেরিয়ায় অবৈধ খনির সন্দেহে আটক ৩৭ জন খনিশ্রমিকের মৃত্যু মারাত্মক শ্বাসরুদ্ধতা, দুর্বল বায়ু চলাচল ও অবহেলার কারণে ঘটেছে। এই ঘটনায় সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে, যার চেয়ারম্যান জনাথন কুরে মৃত্যুর কারণ সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন।
কমিটি প্রমাণ পর্যালোচনার পর জানায়, ভুক্তভোগীরা অ্যাসফিক্সিয়া (তীব্র শ্বাসযন্ত্রের বিকলতা) দ্বারা মারা গেছেন, যা দীর্ঘ সময় ঘনবদ্ধ, অপর্যাপ্ত বায়ু চলাচলযুক্ত সেলে আটকে রাখার ফলে ঘটেছে। তাপজনিত চাপ ও পানিশূন্যতা পরিস্থিতি আরও খারাপ করেছে। রোগের প্রাদুর্ভাবের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ক্ষতিপূরণ সুপারিশ
কমিটি প্রতিটি মৃতের পরিবারকে ৩ কোটি নাইরা (প্রায় ২২,৫০০ ডলার) এবং বেঁচে থাকা ৪১ জনের প্রত্যেককে ১ কোটি নাইরা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এই পরিমাণ বেঁচে থাকা কর্মীদের সাক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে কমিটি জানায়।
আটকের দায়িত্বে থাকা নাইজেরিয়া সিকিউরিটি অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কর্পস (NSCDC) প্রথমে অনির্দিষ্ট রোগের উল্লেখ করে, পরে মৃত্যুর কারণ নির্ধারিত হয়নি বলে জানায়। তদন্ত চলাকালে সরকারের পক্ষ থেকে NSCDC-র জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, এবং সংস্থার নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদলের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই তথ্যগুলো বাংলা ট্রিবিউনের সূত্রে পাওয়া গেছে।







