সারাবাংলার খবর অনুযায়ী, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটিতে সফর করছেন। চলতি বছর বিজয়ের পর সরকার প্রধান হিসেবে তাঁর এই প্রথম সৌদি সফরের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। যদিও সফরের সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করছে।
সফরের মূল আলোচ্য বিষয়
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, জ্বালানি আমদানি, বিনিয়োগ চুক্তি এবং আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময় হতে পারে। রোহিঙ্গা প্রশ্নে সৌদি আরবের সমর্থন অব্যাহত রাখার বিষয়টিও আলোচিত হবে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং হুতি আক্রমণের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অবস্থান সফরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকদের মতামত।
সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা
সারাবাংলার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি চলছে। এতে সৌদি আরবে যৌথ বিনিয়োগে বড় একটি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত কারখানাটিতে বছরে ১০ লাখ টন ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সমান অংশীদারত্বে (৫০ শতাংশ করে) একটি যৌথ কোম্পানি গঠন করবে। প্রকল্পের মোট বিনিয়োগের ৩০ শতাংশ অর্থ দুই দেশের সরকার সমানভাবে বহন করবে এবং বাকি ৭০ শতাংশ সৌদি আরবের আর্থিক খাত থেকে ঋণ হিসেবে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। কারখানা নির্মাণে মোট ব্যয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
বাংলাদেশের পক্ষে এই প্রকল্পে অংশীদারত্বের দায়িত্বে থাকবে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)। শিল্পসচিব আবদুন নাসের খান জানিয়েছেন, পরিকল্পনাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর কারিগরি ও বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।







