২ নভেম্বর ২০২৬-এ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী বঙ্গভবনে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কৌশলগত নেতৃত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত নেতৃত্ব অপরিহার্য।
আলমগী প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করে।
তিনি জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার হুমকি, আন্তঃদেশীয় অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, মহামারি, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনকে নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বঙ্গোপসাগর ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের কারণে সতর্কতা ও দূরদর্শিতার প্রয়োজনীয়তা তিনি জোর দেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তি যুদ্ধ ও নিরাপত্তার ধরন পরিবর্তন করছে বলে তিনি বলেন, একই সঙ্গে ভুল তথ্য ও সাইবার হুমকি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।
আলমগী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং ১৯৭৭ সালে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ও ১৭ বছরের গণতন্ত্রের সংগ্রামকে স্মরণ করে জনগণের মর্যাদা ও ন্যায়বিচার রক্ষার আহ্বান জানান।
উৎস: বাসস






