সারাবাংলা রিপোর্ট অনুযায়ী, সরকার তৈরি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণে একটি মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি পোশাকশিল্পের উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৮:৩০টা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং বিএনপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মজুরি বোর্ড প্রতি তিন বছর অন্তর গঠনের বিধান রয়েছে। মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা দ্রুত জমা দেওয়ায়, শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধির নাম পাওয়ার পরই বোর্ড গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বোর্ডে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা আলোচনা করে শ্রমিকদের জীবনমান, পরিবার-পরিজন ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করবেন।
তিনি আরও বলেন, সহিংস আন্দোলনের কোনো প্রয়োজন ছিল না। পুলিশের গাড়িতে আগুন, বিভিন্ন স্থানে হামলা, যানবাহন ভাঙচুর ও কারখানায় অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনাগুলো সহিংসতার প্রকাশ। সরকার এসব কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে মোকাবিলা করবে এবং জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নের নির্দেশ দিয়েছেন এবং শ্রম মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। তিনি সরকারকে শান্তি, শৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনা করেছেন এবং পোশাকশিল্পের উন্নয়ন ও রপ্তানি আয়ের বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য উল্লেখ করেছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, পোশাকশিল্পের মালিকদের উৎপাদন কার্যক্রম চালু রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। কারখানা বন্ধ হলে তা সাময়িক হওয়া উচিত এবং মালিক ও শ্রমিকদের আলোচনার মাধ্যমে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে হবে যাতে রপ্তানির জন্য পণ্য সরবরাহে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।







