ইনডিপেনডেন্ট টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাকশিল্পে চলমান বিশৃঙ্খলা ও কারখানা ভাঙচুর বন্ধ না হলে মালিকরা আর কারখানা চালু রাখতে চান না। অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে প্রায় ৭০০ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সভাপতি জানান, সাম্প্রতিক আন্দোলনের কারণে প্রায় ৬০০ পোশাক কারখানা তাদের স্বাভাবিক কাজ চালাতে পারেনি। মালিক পক্ষের দাবি, নতুন মজুরি বোর্ড গঠিত হওয়ার পরও এ ধরনের বিশৃঙ্খলা সাধারণ কোনো মজুরি আন্দোলন হতে পারে না, বরং এর পেছনে অন্য কোনো পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ও পোশাক খাতের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ চেয়েছে বিজিএমইএ। শ্রম পরিবেশ তৈরি না হলে কারখানা চালানো সম্ভব নয় বলেও জানান সংগঠনের নেতারা।

সরকারের পদক্ষেপ

অন্যদিকে, চ্যানেল ২৪ ও বার্তা২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোববার (১ নভেম্বর) রাতে সচিবালয়ে মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের জরুরি বৈঠক শেষে তৈরি পোশাক কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।