রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে রোগী ও তাদের স্বজনদের আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ার ভয় কাটাতে হচ্ছে। আজকের পত্রিকা জানায়, এখানে বিদ্যুৎ ও ছাদের কারণে অগ্নিঝুঁকি বাড়ছে।
১ হাজার ২৫০ কেভিএ ক্ষমতার বিদ্যুৎব্যবস্থায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি লোড চলছে। জরাজীর্ণ বৈদ্যুতিক তার এবং অপরিকল্পিত এসি স্থাপনের কারণে শর্টসার্কিটের আশঙ্কা বাড়ছে। এছাড়াও পুরোনো ভবনগুলোর ছাদ ও বিমের পলেস্তারা খসে পড়ছে। গত পাঁচ বছরে অন্তত পাঁচবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তাঝুঁকি কাটেনি।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম এবং তারগুলো অত্যন্ত জরাজীর্ণ। তিনি জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। গণপূর্ত বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, অনেক চিকিৎসক ও পরামর্শক নিজ উদ্যোগে এসি স্থাপন করেছেন যা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই হয়েছে।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ অক্টোবর প্রশাসনিক শাখার পাশে সুইচবোর্ডে শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে। প্রাণভয়ে হুড়োহুড়ি করে বের হতে গিয়ে অনেক রোগী ও স্বজন আহত হন। রংপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর নাজমুল হাসান বলেন, রমেক হাসপাতাল অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে।
সাথে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) কাউনিয়ায় ৯৫৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক কারবারিকে আটক করেছে।







