সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের দুই জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আটজন নিহত হয়েছেন।
মেলান্দহ, জামালপুর
মেলান্দহে শনিবার সকাল ১০টায় একটি দ্রুতগতির ট্রাক প্রথমে শওকত আলী লিখনকে ধাক্কা দেয়; তিনি রাস্তার নিচে পড়ে যান। ট্রাকটি পালানোর সময় যাত্রীবাহী ইজিবাইককে ধাক্কা দেয়, ফলে মোরশেদ আলম, তার স্ত্রী ইকরামা বেগম ও আট মাসের কন্যা রিফা নিহত হন। লিখন পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
শওকত আলী লিখন ওষুধ কোম্পানির বিপণন প্রতিনিধি ছিলেন; তার ভাই হেলাল উদ্দিন আকন্দ জানান, লিখন তার সন্তানকে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন।
মোরশেদ আলমের পরিবার জানায়, তিনি ও তার পরিবার কেনাকাটার জন্য জামালপুর শহরে যাচ্ছিলেন। ইকরামা বেগমের বাবা মোহাম্মদ রেজাউল করিম বিচার দাবি করে বলেছেন, “আমার বুক খালি হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা মেলান্দহের মালঞ্চ এলাকা থেকে চালক শান্ত মিয়াকে আটক করে, পরে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। মেলান্দহ থানার ওসি এটিএম মাহমুদুল হক এবং সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা এ বিষয়ে এজাহার পেয়ে মামলা নথিভুক্ত করছেন।
সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম‑কক্সবাজার মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস ডোবায় পড়ে দুইজন নিহত হন: মাদ্রাসা অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক সোহানা আফরোজ (৪৫) এবং তার স্বামী সাখাওয়াত হোসেন ইসরাফিল (৫৬)। বাসটি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মাদ্রাসা থেকে কক্সবাজারে যাচ্ছিল; ৩০ জন আহত হয়েছেন। সহকারী শিক্ষক আবদুর রহিম জানান, দুজন বাসের সামনের দিকে ছিলেন এবং ডুবে যাওয়ায় শ্বাসরোধে মারা গেছেন। দোহাজারি হাইওয়ে থানার ওসি নুরুল আবছার জানান, পুলিশ উদ্ধারকাজে সহায়তা করেছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার পর মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
ঢাকা‑চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যানের পেছনে ধাক্কা খেয়ে একটি ট্রাকের চালক মো. ছালেহ আহম্মেদ সেলিম (৪৬) ও সহকারী মো. সোহরাবের (৩৫) নিহত হন। কুমিরা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক আব্দুল মতিন জানান, দুজনকে হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেছেন। আইনি ব্যবস্থা চলছে।
এই তিনটি দুর্ঘটনা সমকালের তথ্য অনুযায়ী ঘটেছে।







