প্রথম আলো ইংরেজি অনুসারে, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তর পরিকল্পনার বিরোধে কয়েক দিন ধরে প্রতিবাদ চালিয়ে গিয়ে বুধবার সকালেই দুইটি মেলার (এশিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফেয়ার ও ইয়ুথ ফেয়ার) নির্মাণাধীন কাঠামো ভাঙচুর করে।
প্রতিবাদকারীরা "We want our research field back, not the Secretariat" শিরোনামের ব্যানার টেনে গিয়ে কাজ করে এবং ৭০‑৮০ জন শিক্ষার্থী (অন্যান্য সূত্রে ১০০‑এর বেশি) উপস্থিত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ উপস্থিত থাকলেও শিক্ষার্থীদের থামাতে পারেনি।
মেলার আয়োজকরা উল্লেখ করেন যে ধাতব বেড়া ও কাঠের স্টল ভেঙে গিয়ে আর্থিক ক্ষতি হয় এবং নির্মাণ সামগ্রী ও সরঞ্জামও নেওয়া হয়েছে। একটি অজ্ঞাত সূত্র জানিয়েছেন যে প্রধান প্রবেশদ্বারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ক্ষতি কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে।
শেকৃবির কার্যনির্বাহী প্রোফেসর তাজুল ইসলাম (অ্যাক্টিং প্রোডার) জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে পদক্ষেপ নেবে।
প্রতিবাদকারীরা দাবি করেন যে মেলার মাঠটি তাদের গবেষণা ক্ষেত্র এবং তা বিশ্ববিদ্যালয়েরই অন্তর্ভুক্ত। তারা এই ভূমি ফিরে পেতে এবং গবেষণার জন্য ব্যবহার করতে চান। মঙ্গলবার মাটির পরীক্ষা চলছিল, তবে শিক্ষার্থীরা দুপুরে গিয়ে পরীক্ষার সরঞ্জাম ও দুইটি গাড়ি ক্যাম্পাসে নিয়ে যায় এবং ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করে তাদের দাবি তীব্র করে।
প্রথম আলো (বাংলা) প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানের মতে, ঐ জমি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি সঠিক নয়। এছাড়া, ১৮ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে সচিবালয়কে পুরোনো মেলার মাঠে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ২০২৯ সালে নতুন স্থানে কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।
এই ঘটনায় বিভিন্ন সূত্রের তথ্যের পার্থক্য রয়েছে; শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও আর্থিক ক্ষতির পরিমাণে ভিন্নতা দেখা যায়।







