ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামীতে স্কুল ও মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসায় সবচেয়ে বেশি জিপিএ পাওয়া যায়। সকলে তাকে জিজ্ঞেস করেছেন, এটার কী ব্যবস্থা করা যায়? তিনি উল্লেখ করেন, আগামী দিন থেকে মাদ্রাসা ও স্কুলে একই প্রশ্নপত্র থাকবে, কারণ আলাদা হওয়ার কোনো কারণ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব জায়গায় ভর্তি হয় একই বিষয়ে, একই প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়। তাই এরপর থেকে স্কুল-মাদ্রাসায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে, তারপর দেখা হবে মাদ্রাসায় কেন বেশি জিপিএ পায়, তারপর তা পরীক্ষা করা হবে।

পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থীর খাতা পুনর্নিরীক্ষণের পর ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে এবং ৩ হাজার ৭৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত পরীক্ষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই বিষয়টি তার মাথায় প্রচণ্ড বোঝা। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী সরকার ঢালাও সার্টিফিকেট ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছে। তিনি জানান, এখন তিনি একটি অ্যাপস তৈরি করেছেন বদলি করার জন্য এবং শিক্ষকদের দায়িত্ব পড়ানো, বদলি করা তার দায়িত্ব।