আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিন শেষে হতাশায় মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ। আলোকস্বল্পতার কারণে চা পানের বিরতির পর দুই দফায় খেলা বন্ধ থাকায় নির্ধারিত ৯০ ওভারের জায়গায় প্রথম দিনে মাত্র ৭০ ওভার খেলা সম্ভব হয়েছে। প্রথম দিন শেষে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৩৫ রান।
টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শুরুতেই চরম চাপে ফেলে দেন বাংলাদেশের দুই পেসার। মাত্র ৮.৪ ওভারে ২৭ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারায় ক্যারিবীয়রা। ৯ রান করা ব্র্যান্ডন কিংকে বোল্ড এবং ১২ রান করা জশুয়া ডা সিলভাকে এলবিডব্লু করে প্যাভিলিয়নে পাঠান তাসকিন আহমেদ। অন্য ওপেনার কাভেম হজকে ১ রানে বোল্ড করেন হাসান মাহমুদ। প্রথম সেশনটি পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে বাংলাদেশ।
তবে সেই প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন অভিষিক্ত কেভিন উইকহ্যাম ও আমির জাঙ্গু। চতুর্থ উইকেটে তাঁরা ২৫১ বলে ১৩১ রানের জুটি গড়ে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। এই জুটি গড়ার পথে দুবার জীবন পান জাঙ্গু—২২ রানে লিটন দাস তাঁর ক্যাচ মিস করেন এবং ৬৮ রানে বোলার হাসান মাহমুদ ফিরতি ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন। সুযোগ কাজে লাগিয়ে জাঙ্গু ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন। উইকহ্যাম ১৪৫ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৬১ রান করে হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন।
পঞ্চম উইকেটে জাস্টিন গ্রিভসকে সাথে নিয়ে প্রতিরোধ বজায় রাখেন জাঙ্গু। ইনকিলাবের তথ্য অনুযায়ী, এই উইকেটে জাঙ্গু ও গ্রিভস ১১৯ বলে ৭৭ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়ে দিন শেষ করেছেন (আজকের পত্রিকা এক পর্যায়ে ৫৮ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটির কথা উল্লেখ করে)। প্রথম দিন শেষে জাঙ্গু ১৭১ বলে ১১টি চার ও ২টি ছক্কায় ১১১ রানে এবং গ্রিভস ৬২ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত আছেন।
বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ ৬১ রানে ২টি এবং হাসান মাহমুদ ৫৮ রানে ২টি উইকেট নেন। তবে ইনকিলাবের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বাংলাদেশের তিন স্পিনার তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাঈম হাসান মিলে ৪২ ওভার বোলিং করলেও কোনো উইকেটের দেখা পাননি। প্রথম টেস্টে হেরে যাওয়া বাংলাদেশ ধবলধোলাই এড়াতে এই ম্যাচে জয় পাওয়ার সমীকরণ নিয়ে খেলতে নেমেছে।






