দেশ রূপান্তর-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ আট বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের (বাছাশ্রই) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর অন্তর অন্তর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও উচ্চ আদালতে মামলাসহ নানা কারণে ২০২১ ও ২০২৪ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ২৪ জুন এই ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও শ্রমিকদের একাধিক আবেদনের প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুছ সামাদ আল আজাদকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিযুক্ত করে ১১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। গত ৩০ অক্টোবর এই কমিশন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৮ নভেম্বর শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দেশের পাঁচটি জেলার ২০টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ৫ ও ৬ নভেম্বর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ এবং ৫, ৬ ও ৯ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। ১৪ নভেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর ২৮ নভেম্বর পঞ্চায়েত কমিটি, সাতটি ভ্যালি কার্যকরী পরিষদ এবং কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের নির্বাচন হবে।

বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়ন সূত্রে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে প্রায় সাড়ে ৩ হাজারের বেশি প্রার্থী এবং ৬ শতাধিক প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। দেশের ২৩১টি চা-বাগানের লক্ষাধিক নারী-পুরুষ শ্রমিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন কমিশনের সদস্য ও বিভাগীয় শ্রম দপ্তর শ্রীমঙ্গলের উপপরিচালক মহব্বত হোসাইন জানান, শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।