আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের উপনির্বাচনে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও কয়েকটি কেন্দ্রে ব্যতিক্রমী চিত্র দেখা গেছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু নারী ভোটারদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার দৃশ্য ছিল চোখে পড়ার মতো।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ৪৮ নম্বর কেন্দ্র দৌলতপুর সোলেমান খান বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখা যায়। দৌলতপুরের সাধুপাড়া এলাকার বাসিন্দা শেফালী রানী ও পদ্মারানী বলেন, কেন্দ্রে ভোটের পরিবেশ শান্ত ও সুন্দর ছিল এবং তারা কোনো ঝামেলা ছাড়াই ভোট দিতে পেরেছেন। এ ছাড়া বাঁশগাড়া ও খোঁচাবাড়ি এলাকার অঞ্জনা ও সোমারিসহ অনেক নারী ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. রিজওয়ানুল হক জানান, কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৫ জন, যার মধ্যে ১ হাজার ৪৯৭ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৫০৮ জন নারী। সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এখানে আনুমানিক ৬৫০টি ভোট পড়েছে।
সমকাল, দেশ রূপান্তর ও বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সকালে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি থাকলেও দুপুরের দিকে পুরুষ ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। দুপুরে কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রায়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঠাকুরগাঁও সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের অগ্রগতি দেখা যায়। সমকালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কৃষ্ণপুর কেন্দ্রে প্রায় ৪০ শতাংশ এবং দুপুর দেড়টা পর্যন্ত রায়পুর কেন্দ্রে প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছে।
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি কেন্দ্রে বেলা দুইটা পর্যন্ত মোট ৫১ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন। এ উপনির্বাচনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন এবং ৯৮৯টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ চলছে।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে লিফলেট বিতরণের অভিযোগে জামায়াতের এক নেতাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভুয়া ভোট দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে দানারহাট আনছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্র থেকে তিন শিক্ষার্থীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে, জামায়াতের প্রার্থী মো. দেলাওয়ার হোসেন বলেন, প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের গলার কার্ডে ছবি নেই, যা উদ্বেগজনক।







