আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকরা যাতায়াতের পাশাপাশি রাত যাপনও করতে পারবেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে সোমবার (২৭ অক্টোবর) এই সংশোধন আনা হয়েছে। বাংলা ট্রিবিউন প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফি বাতিল, জাহাজ মালিক থেকে উগাহন
পূর্বে পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি বাতিল করা হয়েছে। সাবরীনা রহমান জানান, এই ফি এখন জাহাজ মালিকদের কাছ থেকে উগাহন করা হবে। তবে ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিটি পর্যটক থেকে ১০০ টাকা ফি নেওয়া থাকবে। এই বিষয়ে মতভিন্নতা রয়েছে।
ভ্রমণ নিয়ম ও নিষেধাজ্ঞা
পরিবেশ সংরক্ষণের নির্দেশনা মেনে চলা বাধ্যতামূলক। প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড স্বীকৃত ওয়েব পোর্টাল থেকে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট কেনার ওপর জোর দিয়েছেন। পর্যটকরা পলিথিন, একবার ব্যবহারের প্লাস্টিক এড়াতে হবে এবং নিজস্ব পানির ফ্লাস্ক নিয়ে যেতে হবে।
সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল রক্ষার বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা যাবতীয় থাকবে। রাতে সমুদ্রসৈকতে আলো জ্বালানো, উচ্চশব্দ, বারবিকিউ পার্টি, কেয়া বনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ-কেনাবেচা এবং সৈকতে মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ। জাহাজগুলো আগের মতো কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে ছুটবে।
পূর্বের বিভ্রান্তি ও সংশোধন
গত ১২ অক্টোবরের সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ২৫ অক্টোবর জারি নির্দেশনায় গত বছরের প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করা হয়েছিল, যাতে নভেম্বর মাসে শুধু দিনের ভ্রমণ এবং ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে রাত যাপনের বিধান ছিল। এতে পর্যটক, হোটেল ও জাহাজ মালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। আজের সংশোধিত সিদ্ধান্তে সময়সীমা সরিয়ে ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত রাত যাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
দৈনিক সর্বোচ্চ পর্যটক সীমা সাড়ে তিন হাজার করা হয়েছে কিনা, বাংলা ট্রিবিউনে এর উল্লেখ নেই; ঢাকা টাইমস এবং দেশ রূপান্তর এই সীমা উল্লেখ করেছে। দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত ভ্রমণের কথা আছে, যা সম্ভবত টাইপোগ্রাফিক্যাল ত্রুটি।







