ঢাকা পোস্টের খবর অনুযায়ী, নীলফামারী সদর উপজেলায় রোববার (২৫ অক্টোবর) দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় শিশুসহ দুজন মানুষ নিহত হয়েছেন।
প্রথম ঘটনা সকালে সদর উপজেলার ধোবাডাঙ্গা এলাকায় ঘটে। সেখানে জমিস উদ্দিনের ছেলে তিন বছরের রাব্বিকে বাড়ির পাশে রেখে তার মা কাজ করছিলেন। এ সময় সবার অজান্তে শিশুটি বাড়ির ব্যবহৃত টিউবওয়েলের জমে থাকা পানিতে পড়ে যায়। পরে খোঁজাখুঁজির পর পানি থেকে উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দ্বিতীয় ঘটনা রাত সাড়ে ৮ টার দিকে সদর উপজেলার টেক্সটাইল এলাকায় ঘটে। নীলফামারী শহরের সরকার পাড়া এলাকার আবুল কালামের ছেলে ২৫ বছরের ইমন ইসলাম সেখানে একজন চিকিৎসকের বাড়িতে এসি মেরামতের কাজ করছিলেন। একই সময় আরেক মিস্ত্রি গ্রিজার মেরামত করছিলেন। গ্রিজারের বৈদ্যুতিক সংযোগ না পেলে ইমনকে ডাকা হয়। তিনি গ্রিজারের কাছে গিয়ে মাটিতে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুৎস্পর্শ হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুজন নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।






