ইত্তেফাকের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে অডিট চেম্বারের সদস্য নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলাকালীন রণক্ষেত্রের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। রুলিং পার্টির এমপি তারোন চাকোয়ান বিরোধী দলের নেতা নারেক কারাপেতিয়ানের আত্মীয়ের পুরোনো মন্তব্য তুলে ধরেন, যার ফলে কারাপেতিয়ান তার আসনে বসে জবাব দেন এবং পরে মঞ্চে গিয়ে হাতাহাতি শুরু হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, উভয় পক্ষের আইনপ্রণেতা ঘুসি ও লাথি মারছেন; ডেপুটি স্পিকার ভাহাগন আলেক্সানিয়ান একটি চেয়ার ছুঁড়ে বিরোধী এমপি-দের দিকে নিক্ষেপ করেন। পার্লামেন্টের করিডোর পর্যন্ত সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, নিরাপত্তা কর্মী ও অন্যান্য এমপি হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেন।
পার্লামেন্ট স্পিকার রুবেন রুবিনিয়ান ঘটনাটির দায়িত্ব কারাপেতিয়ানের ওপর আরোপ করেন, যদিও তিনি পর্যালোচনায় কোনো আপত্তিকর মন্তব্য পাননি বলে জানান। রুবিনিয়ান উল্লেখ করেন, কারাপেতিয়ান তার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি এবং চাখোয়ানকে আঘাত করার চেষ্টা করেছেন।
সংঘর্ষের পর পার্লামেন্টে একটি অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছায়; ইউএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া’ দলের এমপি আন্দ্রানিক গেভোরগিয়ানের নাক থেকে রক্ত বের হয় এবং বিরোধী দলের আরেকজন এমপি রুবেন মখিতারিয়ানের পোশাক ছিঁড়ে যায়। নিরাপত্তা কর্মীরা করিডোরে একটি বাধা গড়ে দেন।
অক্টোবরের শুরুর দিকে সিভিল কন্ট্রাক্ট দলের সদস্য ও বিরোধী দলের মধ্যে আরেকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া’ দলের এডগার গাজারিয়ানকে সরকারি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগে তাড়া করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, উপরের সব তথ্য ইত্তেফাকের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপিত।







